Wednesday , 17 October 2018

ইন্টারনেটে ভ্যাট এখনও ‘১৫ %’, গ্রাহকের ক্ষোভ

সরকার ইন্টারনেটে ভ্যাট ৫ শতাংশ করলেও গ্রাহকদের কাছ হতে এখনও ১৫ শতাংশ করে কাটছে মোবাইল ফোন অপারেটরগুলো।

অন্যদিকে আইএসপিরা বলছেন রেয়াত না থাকায় এই ছাড়ে ইন্টারনেটের দাম কমানো সম্ভব না।

ইন্টারনেটে ৫ শতাংশ ভ্যাট প্রস্তাব জাতীয় সংসদে ২০১৮-১৯ অর্থবছরের বাজেটে পাস হবার পর ৩০ জুন দিবাগত রাত ১২টার পরক্ষণ হতেই তা কার্যকর হওয়ার কথা। কিন্তু এরপর ৫ দিন পেরিয়ে গেলেও আগের মতো ১৫ শতাংশ ভ্যাটই কেটে যাচ্ছে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলো।

বিষয়টি নিয়ে অনেকটা ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানাচ্ছেন গ্রাহকরা। তাদের কথা, বাজেট পাস হবার পরও কোন আইন বা ক্ষমতায় ১০ শতাংশ বেশি ভ্যাট কাটা হচ্ছে।

সরকারের সংশ্লিষ্ট দায়িত্বপ্রাপ্ত দপ্তর বা নিয়ন্ত্রক সংস্থা এ অন্যায়টি কি দেখছে না?-এমন প্রশ্নও তুলেছেন অনেকে।

এদিকে এখনও ১৫ শতাংশ ভ্যাট কাটার বিষয়ে মোবাইল ফোন অপারেটগুলোর সংগঠন অ্যামটব ও অপারেটরগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তারা বলছেন ইন্টারনেটে ৫ শতাংশ ভ্যাটের যে প্রজ্ঞাপন তাতে এটি ‘ইন্টারনেটে সংস্থার’ ক্ষেত্রে বলা হয়েছে।

অপারেটরগুলো যেহেতু ইন্টারনেট সংস্থা নয় তাই ইতোমধ্যে তারা চিঠি দিয়ে এনবিআরের কাছে এর ব্যাখ্যা চেয়েছেন। বিষয়টি পরিষ্কার না হওয়া পর্যন্ত ভ্যাটের বিষয়ে তারা কিছু করতে পারছেন না।

অন্যদিকে গ্রাহক পর্যায়ে ইন্টারনেটে সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর সংগঠন আইএসপিএবি এবং আইএসবপি ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভ্যাট কমালেও এখন রেয়াত সুবিধা না পাওয়ায় গ্রাহক পর্যায়ে তারাও ইন্টারনেটের দাম কমাতে পারছেন না। ভ্যাটের হিসাবে গ্রাহকের কাছ হতে এখন ৫% নিলেও ইন্টারনেটের সেবা দেয়ার প্রক্রিয়ায়তাদের খরচ আরও বেড়ে যাবে।

গ্রামীণফোন গ্রাহক অনিক বলছেন, বাজেটে ৫ শতাংশ ভ্যাট করার পরও জিপি তার কাছ হতে ১৫ শতাংশ ভ্যাটেই ইন্টারনেট বিক্রি করছে। গত ৫ দিন ধরেই যে ১৫ শতাংশ করে ভ্যাট নেয়া হচ্ছে এই টাকা সরকারের কোষাগারে কীভাবে যাবে? সরকার তো ভ্যাট ৫ শতাংশ করে দিয়েছে তাহলে অপারেটরগুলো কেনো এখনও ১৫ শতাংশ করে নিচ্ছে। এটি দেখার কি কেউ নেই?

মোহাম্মদপুরে আইএসবি সেবার গ্রাহক শাহনেওয়াজ জানান, তাদেরকে ইন্টারনেট দাম কমানো বিষয়ে কিছু জানানো হয়নি। বরং স্থানীয় সংযোগদাতারা বলে গেছেন নতুন নিয়মে তাদের খরচ বাড়তে পারে।

Leave a Reply